April 7, 2026, 2:17 am

সংবাদ শিরোনাম
মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায়—দাবি, বাস্তবতা ও অপেক্ষার বৈধ কাগজপত্র-হেলমেট ছাড়া মিলবে না জ্বালানি তেল ক্যাম্পবেলটাউনে গার্হস্থ্য সহিংসতা প্রতিরোধে সেমিনার অনুষ্ঠিত

সারাদেশের ন্যায় রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে করোনায় চাপ কমাতে প্রথম ধাপে ৩৩ কয়েদীর সাজা মওকুফ

রুহুল আমীন খন্দকার, ব্যুরো প্রধান :

mostbet

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে চাপ কমাতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ৩৩ জন কয়েদির সাজা মওকুফ করে দিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে ১৭ জনকে কারাগার থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার গিয়াস উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমিত (কোভিড-১৯) রোগের বিস্তার রোধে কারাগার গুলোতে ভিড় কমাতে সরকার লঘু অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সাজা মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার’ই ধারাবাহিকতায় এ রকম বন্দিদের তালিকা কিছু দিন আগে কারা অধিদপ্তর আমাদের কাছ থেকে নিয়েছিল। সারাদেশ থেকে তালিকা পাওয়ার পর প্রথম পর্যায়ে দেশব্যাপি ২ হাজার ৮৮৪ জনকে ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।তিনি আরো জানান, প্রথম পর্যায়ে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ৩৩ জন কয়েদিকে ছেড়ে দেয়ার জন্য শনিবার (২ মে) ২০২০ ইং তারিখে চিঠি পেয়েছেন। যাদের কারাদণ্ডের মেয়াদ এক বছর কিন্তু ছয়মাস বা তারও বেশি সাজা খেটেছেন এ রকম কয়েদীদেরই সাজা মওকুফ করা হয়েছে। ৩৩ জনের মধ্যে শনিবার সন্ধ্যায় ১৭ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাকিরাও চলে যাবেন দু’একদিনের মধ্যে। যে মামলায় সাজা হয়েছিল সে মামলায় তাদের আর কারাগারে যাওয়া লাগবে না। সাজা একেবারেই মওকুফ করে দেয়া হয়েছে।কারাগা কতৃপক্ষ সুত্রে জানা যায়, সরকার শুধুমাত্র কারাদণ্ড মওকুফ করেছে, তবে জরিমানা মওকুফ নয়। অনেকেরই মামলার রায় ঘোষণার সময় কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ড দিয়ে থাকেন আদালতে। যাদের অর্থদণ্ড ছিলো না তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর ১৬ জনের অর্থদণ্ড পরিশোধ করা নেই বলে তারা যেতে পারছেন না। এখন ব্যাংক খোলা আছে, বন্দিদের স্বজনরা জরিমানার টাকা জমা দিলেই বাকি ১৬ জনকেও ছেড়ে দেয়া হবে।কারাগা কতৃপক্ষ সুত্রে আরো জানা যায়, পরিবারের সদস্যদের ফোন করে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। এই ধরনের মুহূর্তে প্রতারকদের অন্য বন্দিদের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা চাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বন্দীর স্বজনদের সতর্ক থাকতে হবে। কেউ টাকা চাইলেই তারা যেন না দিয়ে দেন। কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েই যেন তারা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা দেন।উল্লেখ্য, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের ধারণক্ষমতা ১ হাজার ৪৫০ জন। কিন্তু রোববার এই কারাগারে হাজতি এবং কয়েদী মিলিয়ে বন্দীর সংখ্যা ৩ হাজার ৬১০ জন। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে ঝুঁকি কমাতে আরও দুই দফায় এখান থেকে বন্দিদের মুক্তি দেয়া হবে বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/ ৪ মে ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর